https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961


সিলেট প্রতিনিধি ঃ সিলেট বিভাগের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় রবিবার (৩০ জুন) মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে সড়কে ঝরেছে চারটি তাজা প্রাণ। এর মধ্যে তিনজনই নারী, অপরজন শিশু।
রবিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে সিলেট মহানগর, কোম্পানীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

সাদাপাথর থেকে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেলো মা ও ছেলের ।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জস্থ পর্যটন স্পট সাদাপাথর থেকে ফেরার পথে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। রবিবার বিকাল ৪টার দিকে সিলেট-ভোলাগঞ্জ বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের খাগাইল নামক স্থানে পেট্রল পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, নরসিংদী সদর থানার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী স্মৃতি আক্তার (২৫) ও তাদের ৭ বছরের শিশুছেলে আব্দুল্লাহ। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন ও অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রবিবার সকালে সিলেট শহর থেকে সাদাপাথর বেড়াতে যান। বিকালে অটোরিকশাযোগে সিলেট ফেরার পথে খাগাইল এলাকায় তাদের গাড়ি আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির ট্রাক অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এসময় ঘটনাস্থলেই স্মৃতি ও আব্দুল্লাহ মারা যান। আহত হন দেলোয়ার ও অটোরিকশাচালক।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় রেসা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন একই পরিবারের আরও চারজন। রেসা বেগম জেলার ছাতক উপজেলার ঝিগলী গ্রামের সুহেল মিয়ার স্ত্রী। রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পাগলা-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের খাশিলা নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জগন্নাথপুর থেকে সিএনজি অটোরিকশা করে গ্রামে ফেরার পথে পাগলা-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের খাশিলা এলাকায় আসলে জগন্নাথপুরগামী একটি ট্রাক এসে অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা রেসা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন আরও চারজন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
সিলেট মহানগরের চৌকিদেখীতে রেজিস্ট্রিশনবিহনী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এ নারী নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট এয়ারপোর্ট সড়কের চৌকিদেখী পেট্রোল পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আছমা বেগম (৩০)। তিনি সুনামগঞ্জ সদর থানার নুরিশপুর গ্রামের লিটন মিয়ার স্ত্রী। তিনি পরিবারের সঙ্গে চৌকিদেখীর ৩ নং গলির একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আছমাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসব দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

Leave a comment

Trending