https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ গত জুলাই -আগস্ট মাসে ছাত্র হত্যার বিচার করতে সরকার বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করেছে । কিন্তু এখনো ঐ আন্দোলনে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা চলছে । বিশেষ করে অন্তভর্তীকালিন সরকার এখন ও ছাত্র ও পুলিশ হত্যার সঠিক কোন হিসেব দিতে পারে নি । একই সাথে ঐ আন্দোলনে কত জন পুলিশ নিহত হয়েছে তার ও সঠিক কোন তথ্য এখনো দেশবাসীর কাছে পরিস্কার হয় নি । পুলিশ দাবী করছে তাদের প্রায় ৩০০০ মত পুলিশ মারা হয়েছে অথচ সরকার বলছে অর্ধশত এবং এদের বিচারের কোন উদ্বোগ এখনো নেই ।অন্য দিকে সরকার বলছে প্রায় ১০০০ উপরে ছাত্র হত্যা হয়েছে অথচ এই হত্যা নিয়ে সরকার ও পুলিশের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন মত । পুলিশ বলছে তারা ঐ সব ছাত্রদেরকে হত্যা করে নি বরং বিশেষ কিছু লোক স্নাইপার রাইফেল দিয়ে ছাত্রদেরকে হত্যা করেছে । যার ফলে ছাত্র ও পুলিশ হত্যার বিচার নিয়ে সন্দেহের সৃস্টি হয়েছে জনমনে ।ফলে জুলাই -আগস্ট গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতা নিয়ে দিনভর বৈঠক করেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল। সকালে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

দুপুরে বৈঠকে বসেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে। প্রসিকিউশন টিম হারিয়ে যাওয়া এভিডেন্স সংগ্রহে সহযোগিতা চান মার্কিন প্রতিনিধি দলের।

জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার যখন শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ঠিক তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শন করলেন ৬ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে প্রায় এক ঘণ্টা।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গুরুত্ব পায় জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচারে জবাদিহিতা ও স্বচ্ছতার ওপর। পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা না বললেও প্রতিনিধি দলের প্রধান জানান জবাদিহিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম ও আইন উপদেষ্টার। সেখানে ফরেনসিক এভিডেন্স নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সহযোগিতা চায় প্রসিকিউশন টিম। তবে কোন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল এভিডেন্স সংগ্রহে সহযোগিতা করবে মার্কিন দল তা পরে জানানো হবে বলে জানান তারা।

Leave a comment

Trending