
আন্তজার্তিক ডেস্ক ঃ ৩১৭ কন্টেইনার নিয়ে পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতার পর প্রথম পন্যবাহী জাহাজ চ্ট্রগ্রামে এসেছিলো । কি ছিলো এই জাহাজে এই নিয়ে ফেইসবুকে চলছে আলোচনা সমালোচনার জড় । দীর্ঘ ৫৩ বছর পর পাকিস্তানের সাথে জাহাজের মাধ্যমে এই বানিজ্য শুরু হলো অনেকটা গোপনেই যার ফলে জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে । অনেকে মনে করছেন পন্যবহনের পাশাপাশি এই জাহাজে সামরিক কোন সরন্জামাদী এসেছে কি না সেটা নিয়েই দেসবাসী উদ্বিগ্ন । ইতি মধ্যে ভারত থেকে বেসরকারী ভাবে এই জাহাজের মালামাল নিয়ে উদ্বেগের কথা ফেইসবুকে চলে আসছে ।ফলে চট্রগ্রাম কাস্টম কর্মকর্তা তেমন কিছু জানাতে পারছেন না জনগনকে । তারা বলছেন যতক্ষন পর্যন্ত আমদানীকার রা বন্দরে ডকুমেন্ট দমা না দিবেন ততক্ষন পর্যন্ত তারা সঠিক তত্ব দিতে পারবেন না ।
পাকিস্হানের করাচি থেকে পণ্যবাহী এই জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল গত সোমবার। এটি ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের পর করাচি থেকে সরাসরি চট্টগ্রামে নোঙর করা প্রথম কোনও জাহাজ। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দুই দেশের মধ্যে নৌপথে সরাসরি যোগাযোগ শুরু হলো।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, পানামার পতাকাবাহী (YUAN XIANG FA ZHAN) নামের কনটেইনার জাহাজটি দুবাই থেকে করাচি হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে সোমবার (১১ নভেম্বর)। এতে ৩৭০ একক কনটেইনার পণ্য ছিল। পরদিন জাহাজটি পণ্য খালাস করে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে বন্দর ছেড়ে যায়। তবে ওসব কনটেইনারে কী ধরনের পণ্য আছে, তা এখনও জানা যায়নি। পণ্যের আমদানিকারকরা কাস্টমসে বিল অব এন্ট্রি জমা দিলে খালাসের সময় জানা যাবে, কী ধরনের পণ্য করাচি থেকে আমদানি করা হয়েছে।
ধরনের পণ্য পাকিস্তান থেকে আমদানি হয়েছে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কাস্টমসে বিল অব এন্ট্রি জমা পড়লে এটি জানা যাবে। করাচি থেকে কনটেইনারবাহী প্রথম জাহাজ চট্টগ্রামে আসার পরদিন ছেড়ে গেছে। জাহাজটি দুবাই থেকে করাচি হয়ে চট্টগ্রাম পৌঁছে গত ১১ নভেম্বর। এটি থেকে ৩১৭টি পণ্যবাহী কনটেইনার চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে খালাস করা হয়। এরপর ১২ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় জাহাজটি।’
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে নৌপথে করাচির নতুন পথ চালু হয়েছে। ইতোমধ্যে এই পথে আসা প্রথম জাহাজ বন্দর ঘুরে গেছে। ১৯৭১ সালের পর এই প্রথম করাচি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এলো। যেসব কনটেইনার খালাস হয়েছে, সবকটি পাকিস্তান থেকে আনা হয়নি। কিছু কনটেইনার দুবাই বন্দর থেকেও এসেছে। এগুলোতে কী ধরনের পণ্য আছে, তা আমাদের জানার উপায় নেই। আমদানিকারক যখন পণ্য খালাস নিতে কাস্টমসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করবেন, তখন জানা যাবে কনটেইনারে কী আছে।’

Leave a comment