https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

আন্তজার্তিক ডেস্ক ঃ ৫ই আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্চুতির পর মার্কিন প্রতিনিধি দলের এটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় সফর ।বিশেষ করে যুক্তরাস্ট্রের নির্বাচনে ট্রাম্প এর জয় লাভের পর এটি তাদের প্রতিনিধি দলের প্রথম সফর , ফলে এই সফরের দিকে সবার চোখ রয়েছে এখন । বিশেষ করে ৫ ই আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সকল মব জাস্টিস ,সংখ্যা লঘুদের উপর অন্তভর্তী সরকারের নিপিরন , নির্যাতন , আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদেরকে হত্যা , নির্যাতন, সভা সমাবেশে বাধাদান এ গুলো পর্যবেক্ষণের জন্য মার্কিন প্রকিনিধি দলের আগমন এবং তাদের প্রতিক্রিয়া জানা দেশের নাগরীকদের খুবই প্রয়োজন । এর বাহিরে ও গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও শ্রম ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে আজ শুক্রবার ঢাকায় আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষে আন্তর্জাতিক শ্রমবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি কেলি এম ফে রডরিগেজ এবং শ্রমবিষয়ক দপ্তরের পক্ষে ডেপুটি আন্ডারসেক্রেটারি থিয়া লি প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেবেন।

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা, স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থবহ ও মানসম্মত চাকরির বিষয়ে সহযোগিতা দেওয়া এ সফরের লক্ষ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বাংলাদেশ সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটি অন্তর্বর্তী সরকার, বেসরকারি খাত, পোশাক খাতের প্রতিনিধি ও শ্রম ইউনিয়নের অংশীদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগকারী আমেরিকান কম্পানিগুলোর প্রতিনিধি ও বৈশ্বিক শ্রম বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও কর্মীদের সহযোগিতায় সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রমমানের পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বিশদ পরিসরে অভিন্ন সমৃদ্ধির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

মানবাধিকার সমুন্নত দেখার প্রত্যাশা : এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে মানবাধিকার সমুন্নত দেখতে চায়।

গত বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ের প্রশ্নোত্তর পর্বে একজন সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি সশস্ত্র বিপ্লবের প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পর্যবেক্ষণ আছে? আর সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য অস্ত্রের সম্ভাব্য উৎস বা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর এ ধরনের বক্তব্যের কোনো প্রভাব আছে কি না, জানতে চান ওই সাংবাদিক।

জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, ‘আমি ওই বিবৃতি দেখিনি।আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

Leave a comment

Trending