
জাতীয় ডেস্ক ঃ ৫ই আগস্টের অভ্যুখানের পর অন্তভর্তীকালিন সরকার দায়িত্বে আসার সাথে সাথে সারা দেশে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকার শিক্ষা প্রতিস্টানে কর্মরত শত শত অধ্যক্ষ , প্রধান শিক্ষকসহ অনেক সহকারী শিক্ষকদের কে নির্যাতন পূর্বক জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করেন ।এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক অপমান সইতে না পেরে আকস্মিক মূর্ত্যু বর্রন করেন ।সর্ব শেষ চট্রগ্রামে হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের উপাধক্ষ্যকে এস এম আইয়ুবকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয় । সেই অপমান সইতে না পেরে তিনি স্ট্রোক করে মারা যান ।আজ তার নামাজে জানাজায় হাজার হাজার মুসল্লির ঢল নামে ।
আজ রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ২টার সময় বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগমারা মাস্টার আবু আহমেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। মাঠে জায়গা না পেয়ে আশেপাশের সড়কে দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নিয়েছেন অনেকে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শিক্ষক আইয়ুব তিন সন্তানের জনক।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে একদল শিক্ষার্থী উপাধ্যক্ষ আইয়ুবের ওপর চড়াও হয়ে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। এক পর্যায়ে উপাধ্যক্ষ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।
শনিবার শিক্ষক আইয়ুবের ভাগিনা টিপু বলেন, ‘ওই ঘটনার পর থেকে মামা আর কলেজে যাননি। সেদিনের ঘটনার পর থেকে তিনি মানসিক টেনশনে থাকতেন। তবে আমাদের এ নিয়ে কিছু বলতেন না। শনিবার সকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান-তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত। তার অবস্থা ভালো নয়। এর এক ঘণ্টা পরই চিকিৎসক মামাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চয়ন দাশ বলেন, ‘শনিবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের অন্যতম জনপ্রিয় রসায়ন শিক্ষক। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনিসহ আরও তিন শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এরপর থেকে তিনি কলেজে যাননি।’
ঘটনার দিন অধ্যক্ষ চয়ন দাশ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা জোর করে বরখাস্ত বা পদত্যাগের সাক্ষর নিয়েছে তারা সবাই বহিরাগত।’তার মূর্ত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

Leave a comment