https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট সহ সারা দেশে আসামীদেরকে আদালতে তোলার সময় নিপিরন , নির্যাতন ও হামলা করা হচ্ছে ।এই হামলা থেকে কেহই যেন রেহাই পাচ্ছেন না ।বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজনৌতিক নেতৃবৃন্দ সবাই হামলার স্বীকার হচ্ছেন ।অনেকের মতে আদালত হচ্ছে একজন আসামীর নিরাপদ জায়গা যেখানে ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে দেশের সকল নাগরীকের । সেই জায়গায় বিচারের সম্মুখিন হওয়ার আগে আদালত চত্তরে আসামীদের উপর হামলা সেটা স্বাধীন বিচার ব্যবস্হার জন্য লজ্জাজনক ।একজন আসামীকে নিরাপত্তা বিধান করা সরকারেরই দায়িত্ব সেখানে প্রতিনিয়ত হামলার স্বীকার হচ্ছেন আসামীরা যা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না ।

এ ধরনের হামলা বন্ধে গত শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দেশের সব আদালত, বিচারকদের এজলাস ও বাসভবন এবং আইনজীবীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

তারই নির্দেশ বাস্তবায়ন সিলেটে আদালতে তোলার সময় আসামিদের উপর হামলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আদালত পাড়ায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে গোয়েন্দা নজরদারি।

সিলেট মহানগর পুলিশের একটি সূত্র এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশের ঐ সূত্রটি জানায়, আদালতে তোলার সময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের পুলিশি পাহারায় থাকা অবস্থায় হামলার ঘটনা খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন এরকম ঘটনা ঘটেছে এবং এর পেছনে কারা আছে সেজন্য ইতোমধ্যেই তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ। তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মাসুদ রানা।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের (অতিরিক্ত) দায়িত্ব উপ-কমিশনার (ডিসি-প্রসিকিউশন) বি.এম. আশরাফ উল্যাহ তাহের আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, আদালত পাড়ায় আসামিদের উপর হামলার ঘটনা কোন অবস্থায় অবহেলা করার সুযোগ নেই। যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার পরও কেন এরকম ঘটনা ঘটেছে তা অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি আসামিদের আদালতে তোলার সময়ে আরো সর্তকর্তা অবলম্বন করা হবে।

সর্বশেষ ২৮ নভেম্বর সিলেটের যুবদল কর্মী বিলাল আহমদ মুন্সী (৩৫) হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামিকে সিলেটের আদালতে তোলার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আসামিদের প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর সময় একদল ব্যক্তি আসামিদের মাথা ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে কিল, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে থাকে। কেউ কেউ আসামিদের জুতাপেটাও করেন। এ সময় পুলিশ বিক্ষুব্ধদের ফেরানোর চেষ্টা করে। হামলায় তিন আসামিই আহত হন। গুরুতর আহত প্রধান আসামি শ্রমিকনেতা রুনু মিয়া মঈন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে ২৪ নভেম্বর সিলেট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সামনে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ লায়েক হামলার স্বীকার হন ।তার ও আগে ২৪ শে আগস্ট সাবেক বিচার প্রতি মানিক হামলার স্বীকার হন সিলেট আদালতে তোলার সময় ।

Leave a comment

Trending