https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

    জাতীয় ডেস্ক ঃ বাংলাদেশে আইনের শাসন বিলুপ্ত হয়েছে, ন্যায়বিচার বর্তমানে এক দুঃস্বপ্ন ও উপহাসে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সরকার শুধু বিচারব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করছে না- এটি আইনী ব্যবস্থাকে নিজ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অস্ত্র হিসেবে রূপান্তরিত করেছে, যেখানে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আইনজীবীদের চুপ করিয়ে দেয়া হয়েছে, সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন করা হচ্ছে এবং আইনি প্রতিরোধ বা সুরক্ষা প্রদানের প্রতিটি ক্ষেত্রকে চূর্ণ করে দেয়া হচ্ছে।উপরোক্ত কথা গুলো আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জনাম মোহাম্মদ আলী আরাফাত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ব‍্যরিফাইড পেইজে পোস্ট করেছেন । আমরা আমাদের পত্রিকার পাঠকদের জন‍্য এখানে তুলে ধরলাম ।

    তিনি আর ও বলেন ,এই ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারী এবং অসাংবিধানিক সরকারের কাছ থেকে কেউ আইনের শাসন আশা করে না। এটি এমন এক মাতাল সরকার যারা আইনের অস্তিত্ব মেনে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার ভানটুকুও করে না।

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে অপরাধীদের বিভৎস স্বীকারোক্তি এবং অকাট্য সব প্রমাণ পাওয়ার পরও বিচারিক আদালত থেকে এই মামলার সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়ার মাধ্যমে বিচার বিভাগের বিকৃতি আজ নগ্ন ভাবে সকলের সামনে প্রমাণিত হয়েছে।

    চিন্ময় দাসের মামলায় যেন আইনি সহায়তা না মেলে সে কারণে চট্টগ্রামের ৭০ জন হিন্দু আইনজীবীকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঢাকার আইনজীবীরা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে জামাত-বিএনপির গুন্ডা প্রকাশ্যে কোনো আইনি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দেয়। ফলস্বরূপ, জামিনের শুনানি কৌশলগতভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। কারণ কাউকে জামিনের আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগই দেওয়া হয়নি।

    দেশের সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুশীল সমাজের একজন শারিয়ার কবিরের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র একাধিক বানোয়াট অভিযোগ দিয়েই এই অত্যাচারের শেষ হয়নি বরং কারাগারে তার বিভাগীয় মর্যাদা অস্বীকার করা হয়েছে যা আদালতের আদেশের সরাসরি লঙ্ঘন।

    উদাহরণ অগণিত।

    শাসকের এক অন্তঃসারশূন্য দাবি, ‘যে কেউ মামলা করতে পারে এবং আইনিভাবে আমরা তাদের থামাতে পারি না’- এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নির্লজ্জ কেলেঙ্কারী। এটা যদি সত্যি হতো, তাহলে কেন হাজার হাজার আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভুক্তভোগীরা একটি মামলা করতে পারল না?

    বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা কখনোই কলঙ্ক মুক্ত ছিল না। কিন্তু আইনি ব্যবস্থাকে কাফকার মতো রাজনৈতিক নিপীড়নের যন্ত্রে রূপান্তরিত করা অভূতপূর্ব। শুধু বাংলাদেশেই নয়, যুক্তিযুক্তভাবে যেকোনো আধুনিক আইনি ব্যবস্থায় এটি একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে।

    এটি একেবারেই নির্ভেজাল কর্তৃত্ববাদ যেখানে ন্যায়বিচার বিকৃত, আইন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং মানবাধিকার বিতাড়িত করা হয়েছে।


    Leave a comment

    Trending