https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ আগামী নির্বাচন কবে হতে পারে এ নিয়ে অন্তভর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা আগাম ইঙ্গিত দিলে ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এ সব বক্তব্য তাদের ব্যক্তিগত বলে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে । ফলে সাধারণভাবেই প্রশ্ন উঠছে অন্তর্বর্তী সরকার বলতে কি শুধু প্রধান উপদেষ্টা নাকি সকল উপদেষ্টা সমন্বয়ে গঠিত অন্তভর্তী সরকারকে বুঝায় ।আর কেনইবা প্রধান উপদেষ্টার সাথে কথা না বলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টারা নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন , এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ও সমন্বয়হীনতাই জনসম্মখ‍্যে প্রকাশ পাচ্ছে।

আগামী বছর নির্বাচিত সরকার দেখা যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ যে বক্তব্য রেখেছেন, তা ‘ব্যক্তিগত’ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের বিষয়ে ঘোষণা আসবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের পক্ষ থেকে।

আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

তিনি বলেন, “মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ গতকাল নির্বাচন নিয়ে একটি ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন। …প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে নির্বাচন বিষয়ক কোন ঘোষণা আসেনি।

“প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে নির্বাচন বিষয় ঘোষণা আসবে।”

নির্বাচন প্রশ্নে কবে ঘোষণা আসতে পারে- এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “যখন ঘোষণা আসবে তখন সবার আগে আপনারা জানতে পারবেন।”

গত ৮ অগাস্ট সংবিধান সমুন্নত রাখার শপথ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নিচ্ছে, তারা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা ঘোষণা করেনি।

সংবিধান অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ভোটের কথা বলা আছে। দৈব দুর্বিপাকে সেটি করা না গেলে পরের ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু বিষয়ে সংস্কারকে গুরুত্ব দিচ্ছে। শুরুর দিকে বিএনপি সরকারকে সময় দেওয়ার কথা বললেও এখন নির্বাচন চাইছে, অন্তত নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে ঘোষণার দেওয়ার দাবিও জানাচ্ছেন নেতারা।

এর মধ্যে শনিবার ঢাকার গুলশানের একটি হোটেলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বিআইডিএসের চার দিনের সেমিনারে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছরই রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার দেখা যাবে। তিনি এও বলেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, জানি না আসলে কী হবে।’’

নির্বাচন প্রশ্নে এর আগে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্যের পরও এমন পাল্টা বক্তব্যই এসেছে সরকারের তরফে।

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আসিফ নজরুল বলেছিলেন “আমার কাছে মনে হয়, রিয়েলিস্টিক্যালি আগামী বছরের মধ্যে (২০২৫) ইলেকশন করাটা হয়ত সম্ভব হতে পারে।”

এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯ অক্টোবর ধর্ম উপদেষ্টা ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদেরকে বলেন, “আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও সেনা প্রধানের বক্তব্য সরকারের বক্তব্য নয়। সরকার যতদিন নির্দিষ্ট করে বলবে না ততদিন নির্বাচনের সময় নির্ধারিত নয়।”

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধানও নির্বাচন হবে হতে পারে, সে বিষয়ে আভাস দিয়েছিলেন।

তিনি তখন বলেন, সংস্কারের মধ্য দিয়ে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ‘গণতন্ত্রে উত্তরণ’ ঘটা উচিত। তবে সেজন্য সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

৩০ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও বলেন, সেনাপ্রধানের বক্তব্য ‘ব্যক্তিগত’।

Leave a comment

Trending