https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী যিনি বাংলাদেশের রবিন্দ্র সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন তিনি আমাদেরকে ছেড়ে আজ পরপারে পাড়ি জমালেন ( ইন্নালিল্লাহি লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিউন )

তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায় আজ (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। 

পাপিয়া সারোয়ারের মরদেহ বারডেমের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানাজার আগ পর্যন্ত সেখানেই থাকবে মরদেহ। 

আগামীকাল (১৩ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় পাপিয়া সারোয়ারকে। 

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জটিল ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত বছর তাকে দিল্লিতেও নিয়ে যাওয়া হয়।

পাপিয়া সারোয়ারের জন্ম বরিশালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। পরে ১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে ভারত যান।

তার আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সানজীদা খাতুন ও জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীতদীক্ষা নেন।

দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে রবীন্দ্রসংগীতের জন্য কোটি শ্রোতার ভালোবাসা পেয়েছেন। আধুনিক গানেও তিনি সফল। ‘নাই টেলিফোন, নাইরে পিয়ন, নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দেয়। গানটির কথা মনিরুজ্জামান মনিরের; সুরকার ছিলেন মনসুর আলী। আধুনিক এই গানটি পরে বাংলা সিনেমা কুসুমকলি’তে ব্যবহৃত হয়েছে। 

পাপিয়া সারোয়ার ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভের পর ২০২১ সালে একুশে পদক পান এই সংগীত শিল্পী।

Leave a comment

Trending