https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশে অবৈধ সরকারের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয় ঃ

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে লক্ষ্য করে প্রোপাগান্ডা। এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এফবিআই একটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এফবিআই শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইন ভঙ্গকারী মামলার তদন্ত করে। অর্থনৈতিক তদন্তের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের উত্থাপিত অভিযোগের ব্যাপারে তারা ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের অনুমোদনক্রমে দেশ ও দেশের বাইরে তদন্ত করে। এক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য ও ভুয়া সোর্সের ভিত্তিতে শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে যে দুর্নীতির কথা বলা হচ্ছে সেই সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভুয়া। কারণ লন্ডন সোর্সের মাধ্যমে এফবিআইয়ের বরাত দিয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে একটি ভুয়া ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়েছে। লন্ডনে এফবিআই এর কোনো রিপ্রেজেন্টেটিভ নেই। বর্তমান অবৈধ দখলদার ভুয়া সরকারের আমলে বাংলাদেশে এফবিআই-এর কোনো আগমন ঘটে নাই এবং এই সম্পর্কিত কোনো তদন্তের অনুমোদন দিয়ে ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করেন নাই। এখানে যাদের রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যে লিন্ডা স্যামুয়েল ১১ বছর আগে মারা গেছে। আবার অন্য একজন ২০১৩ সালে অবসরে গেছে। এছাড়াও উল্লেখ্য, এফবিআই তারেক রহমান ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছিল এবং তারা অর্থনৈতিক দুর্নীতির তদন্তে ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজা প্রাপ্ত হয়েছিল। এফবিআইয়ের একজন প্রতিনিধি বাংলাদেশে এসে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় এবং সেটার পরিপ্রেক্ষিতেই তারেকের শাস্তি হয়। সেই মামলা অবৈধ দখলদার ইউনূস সরকার প্রত্যাহার করলে সেই প্রতিনিধি ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। অন্যদিকে শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এফবিআই কোনো প্রেস ব্রিফিং বা তথ্য কাউকে প্রদান করে নাই। এর আগেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হলে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অথচ সমগ্র জাতিকে বোকা বানানোর অভিপ্রায়ে অবৈধ দখলদার এই সরকার এই অপতৎপরতা চালিয়েছে। ফ্যাসিস্ট ইউনূসের ভুয়া প্রেস সেক্রেটারি, সাংবাদিক হিসেবে যার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে, যার একটি বসার অফিস ছিল না। তার এমন কোনো সংবাদ প্রকাশের নজির আছে কি-যেটা খুব সাড়া জাগানো, যে টেলিফোনে সংবাদ সংগ্রহ করায় অভ্যস্ত ছিল, এই তথাকথিত সাংবাদিক অবৈধ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি অর্থ খরচের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইট ও সোর্স ব্যবহার করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি স্বাধীন নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করেছিল। দুদকের চেয়ারম্যান অন্যান্য সদস্যগণ এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে রাজি হবে না বিধায় তাদের জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় এবং নতুন কমিশন গঠন করা হয়। যারা এ পর্যন্ত কোনো কাজই করতে পারে নাই। সেই আজ্ঞাবহ কমিশনের অনুমোদনের রেফারেন্স ব্যবহার করে এফবিআইয়ের নামে ভুয়া ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে লন্ডন থেকে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এফবিআইয়ের লন্ডনে কোনো অফিস বা রিপ্রেজেনটেটিভ নেই। এছাড়া তদন্তাধীন বিষয়ে এফবিআই কখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সম্মানহানির লক্ষ্যে বর্তমান অবৈধ সরকারের গৃহীত হীন পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সরকারকে এই অপতৎপরতা থেকে সরে এসে নিজেদের ব্যার্থতা স্বীকার করে পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায়, বর্তমান অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক সরকারের এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ দাঁতভাঙা জবাব দেবে, ইনশাল্লাহ।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

সূত্র ঃ আওয়ামীলীগের বেরিফাইড পেইজ

Leave a comment

Trending