https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ বহুল আলোচিত ও সমালোচিত সংবিধান সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।দেশের রাজনৈতিক দল গুলোর মতে সংবিধান সংস্কার করার দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের হাতেই ন্যস্ত করা উত্তম । এ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তাদের মতামত ও প্রকাশ করেছে বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে।কিন্তু অন্তভর্তী কালিন সরকার সংবিধানের সংস্কার চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। ফলে এই সরকার সংবিধান সংস্কার কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে । 

গতকাল বৃহস্পতিবার (০৩ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৬ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের দ্বারা গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

অবিলম্বে এই আদেশ কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ”এস.আর.ও নং ৬-আইন/২০২৫। সরকার ৬ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন এস.আর.ও নম্বর ৩৩৪-আইন/২০২৪ দ্বারা গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশন-এর মেয়াদ আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত বর্ধিত করিল।”

এর আগে, গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৬ অক্টোবর রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রিয়াজকে প্রধান করে একটি সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।

যেখানে সদস্য সংখ্যা ৯ জন। এই কমিশন গঠনের সময় সংবিধান সংস্কারে একটি খসড়া ডিসেম্বরের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেটি এখন হচ্ছে না। যে কারণে নতুন করে মেয়াদ বাড়াতে হয়েছে এই সংস্কার কমিশনকে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে এই কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, বার-এট-ল ইমরান সিদ্দিকী, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইকরামুল হক, অ্যাডভোকেট ড. শরীফ ভুঁইয়া, বার-এট-ল এম মঈন আলম ফিরোজী, লেখক ফিরোজ আহমেদ, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী মো. মুস্তাইন বিল্লাহ ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মো. মাহফুজ আলম।

Leave a comment

Trending