
জাতীয় ডেস্ক ঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম আজ এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-কে নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য, অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। দেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ভারতের কলকাতার পার্ক হোটেলে আওয়ামী লীগের একটি সভা হয়েছে। সেই সভা থেকে নাকি নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আন্দোলন ও ধ্বংসাত্মক কাজ পরিচালনার জন্য আওয়ামী লীগে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আওয়ামী লীগের এমন কোনো মিটিং অনুষ্ঠিত হয়নি এবং কাউকে সমন্বয়কের দায়িত্বও অর্পণ করা হয়নি। এমনকি যে হোটেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেই হোটেলেও আমি কখনও যাইনি। শুধু আওয়ামী লীগের সম্মানহানি ও আওয়ামী লীগ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের স্পন্সরে এ ধরনের মনগড়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে এবং সংবাদমাধ্যমে তা প্রকাশের জোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এ ধরনের অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের গণমানুষের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। গঠনতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক সুনির্দিষ্ট রীতিনীতি মেনে এবং জনগণের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন কোনো সন্ত্রাসী বা জঙ্গি সংগঠন নয় যে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। বরং হৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এই অকুতোভয়, নির্ভীক ও অজেয় নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের শক্তির আধার। অতীত ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তারা হত হয় কিন্তু মাথা নত করে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ইস্পাত দৃঢ় মনোবল ভাঙার জন্য অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্কিম হাতে নেওয়া হবে। তারই একটা অংশ হলো, ভুয়া মিটিংয়ের মনগড়া ও কল্পিত তথ্য-উপাত্ত ছড়ানো। আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাবো, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার ও আওয়ামী লীগ বিরোধীদের পৃষ্ঠপোষকতায় উৎপাদিত যে কোনো গুজব, অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত কর্মসূচি সফল ও সার্থক করার।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Leave a comment