https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ যথাযথ নিয়মে অনুমতি নেওয়ার পরও উত্তরায় বসন্ত উৎসব করতে পারেনি ‘জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ’ ।

প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলা এবং পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের পাশাপাশি উত্তরা এলাকাতেও আয়োজন করা হয় বসন্ত উৎসবের। তবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং মহানগর পুলিশ থেকে যথাযথ নিয়মে অনুমতি নেওয়ার পরও উত্তরায় বসন্ত উৎসব করতে পারেনি “জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ”।‘

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চারুকলা ও বাহাদুর শাহ পার্কের উৎসব ঠিকঠাকমত হলেও বাতিল করতে হয়েছে উত্তরার আয়োজনটি।

আয়োজকদের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আয়োজকরা রাতেও বাধাদানকারীদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। আয়োজকদের একজনকে আওয়ামী লীগের দোসর বলার পর তাকে আয়োজনের সংশ্লিষ্টতা থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত উৎসবটি করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট বিডিনিউজকে বলেন, “আমরা ভেন্যুর জন্য ভাড়ার টাকাও পরিশোধ করেছি। পুলিশ থেকেও অনুমতি নেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের বাধার কারণে সেখানে অনুষ্ঠান করতে পারিনি।”

মূলত ইমন রহমান ফরহাদ নামের একজনের নেতৃত্বে এই বাধা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে ইমনকে ফোন করা হলে নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তুরাগ থানার মুখপাত্র হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে উত্তরার ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন উত্তরার উন্মুক্ত মঞ্চটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে।

তিনি বিডিনিউজকে বলেন, “এই উৎসব আয়োজনে উত্তরায় উনাদের যে প্রতিনিধি, তিনি আওয়ামী লীগের দোসর।” যাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলা হচ্ছে তার নাম চাইলে ইমন বলেন, “উনার নামটা জানি না।”

বাধা দেওয়ার আরেকটি কারণ হিসেবে ইমন দাবি করেন, “আয়োজকেরা মঞ্চটির সঠিক নাম ব্যানারে ব্যবহার করছে না।”

তার ভাষ্য, “আমরা ৫ অগাস্টের পর এই মঞ্চটিকে ‘মীর মুগ্ধ মঞ্চ’ নাম দিয়েছি। কিন্তু বসন্ত উৎসবের লোকজন সব জায়গায় এটিকে উন্মুক্ত মঞ্চ বলে পরিচয় দিচ্ছে। সাত মাস ধরে আমরাই মঞ্চটির রক্ষণাবেক্ষণ করছি।”

সিটি কর্পোরেশন থেকে মঞ্চটির নাম কি “মীর মুগ্ধ মঞ্চ” করা হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা সিটি কর্পোরেশনে বলেছি। একজন কর্মকর্তা এসে জায়গাটা দেখে গেছেন। এটা করা হবে।”

আপনি মঞ্চটির কোন দায়িত্বে আছেন জানতে চাইলে ইমন বলেন, “আমি না, আমরা এখন মঞ্চটির রক্ষণাবেক্ষণ করছি।” জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানান ইমন।

এ বিষয়ে জানতে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা সাড়া দেননি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমরা এখনও কিছু জানতে পারিনি। বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখব।”

সৌজন্য ঃ বিডি নিউজ ২৪.কম

Leave a comment

Trending