https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961


আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ তথাকথিত “পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি” সংক্রান্ত মামলা হলো অবৈধ ও অসাংবিধানিক ইউনূস সরকার কর্তৃক আরেকটি ষড়যন্ত্রএবং মিথ‍্যাচার ,যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের ভয়াবহ শাসনব্যবস্থা থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে নিতে এই অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে বলে এক বিবৃতির মাধ্যমে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাসিব মামুন

তিনি বলেন , দেশে যখন ধর্ষণ, চাঁদাবাজি,খুন খারাফিতে জনজীবনে অতিষ্ঠ , আইনের শাসন বলতে কিছুই নেই , সমস্ত দেশ আজ মৃত‍্যু উপত‍্যকা ।তখন এই দখনদার ডেভিল ইউনুস সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে পূর্বাচল প্রকল্পের আবাসিক প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির মিথ‍্যা অভিযোগ এনেছে।সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক এই সব কল্পকাহিনী প্রচারের মূলকারন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা।
এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য ইউনূস সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন করে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) কাজে লাগিয়েছে ।বিএনপি এবং জামাত সমর্থিত ব্যক্তিদের দিয়ে দুদক গঠিত করা হয়েছেই তাদের ফরমাইশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এটা আজ সবার নিকট স্পষ্ট । নতুন দুদক চেয়ারম্যান, ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, বিএনপির পরামর্শে নিয়োগপ্রাপ্ত, তিনি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য যে, চেয়ারম্যান মোমেনকে আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতির অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও সিইও পদ থেকে অপসারণ করে ওএসডি করেছিল এবং পরে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
অতএব, এতটা পক্ষপাতদুষ্ট ও দুর্নীতিগ্রস্ত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে ন্যায়বিচারমূলক ও সুষ্ঠু তদন্তের আশা করা অবাস্তবএবং অবান্তর।এটি আরও একবার প্রমাণ করে যে, ইউনূস সরকার মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিয়ে বিরোধীদের দমন করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
এই ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ বাঙালি জাতির কাছে নতুন কিছু নয়। জনগণ জানে, এই অবৈধ সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যা প্রচারণার আশ্রয় নিচ্ছে। এই ধরনের ষড়যন্ত্র করে কখনোই সত্যকে ঢেকে রাখতে পারবে না ।

Leave a comment

Trending