https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-5623148770593961

জাতীয় ডেস্ক ঃ এনসিপি নেতা আর সমন্বয়কদের লাগামহীন চাঁদাবাজির ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর টাকা পাচারের তথ্য ফাঁস।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সাড়ে ছয় কোটি টাকার একটি অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। AUSTRAC (Australian Transaction Reports and Analysis Centre) – অস্ট্রেলিয়ার আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা – গত ২৪ জুলাই একটি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক উৎস থেকে মাহফুজের ভাইয়ের ব্যাংক একাউন্টে (Commonwealth Bank of Australia) এই বিপুল অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে তদন্ত শুরু করে।

জানা গেছে, মাহফুজের বড় ভাই বর্তমানে সিডনিতে একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং পার্টটাইম ট্যাক্সি চালক হিসেবে কর্মরত। গত ৯ মাস ধরে দেশীয় একাধিক প্রকল্পের ফাইল তদবির ও লবিংয়ের কমিশন হিসেবে পাওয়া অর্থ মাহফুজ অস্ট্রেলিয়ায় তার ভাইয়ের একাউন্টে পাঠাচ্ছিলেন। সাম্প্রতিক এই লেনদেন নজরে আসার পর ব্যাংক একাউন্টটি জব্দ করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এই অর্থ দেশের একটি প্রভাবশালী বেনিয়া গোষ্ঠীর প্রকল্পে কমিশনের অংশ হিসেবে মাহফুজ গ্রহণ করেন। নোয়াখালীর প্রত্যন্ত আঞ্চল থেকে উঠে আসা মাহফুজ জুলাই আন্দোলনের একজন আলোচিত মুখ।

এই ঘটনায় অনেকেই স্মরণ করছেন হাতিয়ার হান্নান মাসুদ ও ‘ধরা খাওয়া’ সমন্বয়ক রিয়াদের নাম যাদের বিরুদ্ধেও বিতর্কিত লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং পুরো সমন্বয়ক-নিয়ন্ত্রিত কাঠামোতেই দুর্নীতির শিকড় গেঁথে গেছে। তাই শুধু একজন বা দুজনকে নয়, বরং জন্মদেশে অবস্থানরত প্রতিটি সমন্বয়ক ও তাদের নিকট আত্মীয়দের আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক হিসাব এবং সম্পদের উৎস রাষ্ট্রীয় পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

Leave a comment

Trending